পার্বত্যাঞ্চলের সর্বপ্রথম অনলাইন ব্লাড ব্যাংক ‘জীবন’ রাঙামাটি পাবলিক কলেজের অস্থায়ী ক্যাম্পাসে তাদের ক্যাম্পাস কার্যক্রম ‘হ্যালো ক্যাম্পাস’ এর কার্যক্রম পরিচালনা করে। বিনামূল্যে শিক্ষার্থীরা তাদের রক্তের গ্রুপ জানার জন্য সকাল থেকেই কলেজ ক্যাম্পাসে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে ছিলো। বৃহস্পতিবার শুরুতেই অধ্যক্ষ তাছাদ্দিক হোসেন কবির নিজে তাঁর ব্লাড গ্রুপিং করিয়ে কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।

রাঙামাটি পাবলিক কলেজের প্রভাষক ও ইউনিট ক্যাম্পাস চিফ মুকুল কান্তি ত্রিপুরা এসময় উপস্থিত ছিলেন। পাবলিক কলেজের প্রভাষক আদনান পাশা সূজা এসময় ছাত্র-ছাত্রীদের ব্লাড গ্রুপ নির্ণয়ে অংশগ্রহণ করেন। অধ্যক্ষের শুভেচ্ছা বক্তব্যের মধ্যে তাঁর ঔরনড়হ ‘জীবন’ এর প্রতি ভালোবাসা ও সমর্থন স্পষ্টভাবে ফুটে উঠছিলো। ব্যক্তিজীবনে সংগঠনটি কিভাবে তাঁকেও রক্তদাতা জোগাড় করে দিয়েছে সেই ব্যাপারে স্মৃতিচারণ করেন তিনি। অতঃপর বক্তব্য রাখেন ‘জীবন’ এর সাধারণ সম্পাদক সাজিদ-বিন-জাহিদ (মিকি)। রাঙামাটি পাবলিক কলেজের সুশৃঙ্খল পরিবেশ ও শিক্ষকমণ্ডলীর আন্তরিকতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

পাবলিক কলেজ ক্যাম্পাসে এর পর ‘জীবন’ এর সমন্বয়ক মোঃ আশফাক হোসেন ও সাইদা জান্নাতের নেতৃত্বে বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপ পরীক্ষা করা হয়। রাঙামাটি সিভিল সার্জন অফিস থেকে প্রতিনিধি হিসেবে এসেছিলেন সিনিয়র টেকনোলজিস্ট (ল্যাব) অনিমেষ সাহা। এতে ৯৫ শিক্ষার্থী তাদের ব্লাড গ্রুপ নির্ণয় করে।

অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন ‘জীবন’ এর সদস্য মেহের নিগার চৌধুরী, মেরিলিন এ্যানি মারমা, মৌটুসী কর্মকার তুসু, সীমা ত্রিপুরা, অশ্রু মুৎসুদ্দী মনি, সুবর্ণা ঋষি, আতাহার মাসুম, মোঃ আলমগীর হোসেন, মোঃ ইমাম হোসেন, মোঃ মনির, আসিফ মাহমুদ হাসান ও সহ-সভাপতি শহীদুল ইসলাম রাসেল। এছাড়াও ‘জীবন’ রাবিপ্রবি ইউনিট এর সদস্য জহিরুল ইসলাম তন্ময়, ইমরান আলী, শোয়াইবুল ইসলাম, রাবিপ্রবি ইউনিটের সভাপতি হাছানুল করিম এবং সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান মান্না।

এরপর কলেজ হল রুমে সেশন পরিচালনা করেন ‘জীবন’ এর সাধারণ সম্পাদক ও ‘হ্যালো ক্যাম্পাস’ প্রকল্প পরিচালক সাজিদ-বিন-জাহিদ (মিকি)। এই সেশনের সভাপতিত্ব করেন ‘জীবন’ এর সহ-সভাপতি আবু কাউসার রিপন। পাবলিক কলেজের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন প্রভাষক আদনান পাশা সূজা। সবশেষে ক্যাম্পাস থেকে বৃষ্টি ত্রিপুরা, মোঃ এরশাদ ও হৈমন্তী দেওয়ান এই তিনজনকে ক্যাম্পাস ক্রু হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করা হয়।